বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১২

দেওবন্দীগং রা চরম শ্রেনীর কাফির । তাদের কিছু ভয়ংকর আক্বীদা নিম্নে দেয়া হলো। ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত১:২৬ দেওবন্দীদের কথিত মুরব্বীদের কিছু আক্বীদা দেখুন। (১) আল্লাহ মিথ্যা বলতে পারেন। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া , ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা ১৯। রশিদ আহমদ গাংগুহী, তালিফাতরশিদিয়া, কিতাবুল আক্বাইদ অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৯৮। খলীল আহমদ আম্বেটী, তাজকিরাতুল খলীল, পৃষ্ঠা ১৩৫। মেহমুদ হাসান, আল-জিহাদুল মুগিল, পৃষ্ঠা ৪১। (২) আল্লাহ্‌ তাঁর বান্দা ভবিষ্যতে কি করবে তা আগে থেকে বলতে পারেন না। বান্দাকর্ম সম্পাদনের পর আল্লাহ্‌ তা জানতে পারেন। (নাঊযুবিল্লাহ) হুসাইন আলী, তাফসীরে বুঘাতুল হাইরান, পৃষ্ঠা ১৫৭-১৫৮। (৩) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জ্ঞানের চেয়ে শয়তান ও হযরত আযরাঈল আলাইহিস্‌ সালাম-এর জ্ঞান বেশী। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা৫১। (৪) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ভাগ্য সম্পর্কে জানতেন না এমনকি দেয়ালের ওপাশ সম্পর্কেও না। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা৫১। (৫) নবীর (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর) যদি কিছু ইলমে গায়েব থেকেও থাকে তাহলে এতে তাঁর বিশেষত্ব কী ? এমনইলমে গায়েব তো সকল চতুষ্পদজন্তু, পাগল ও শিশুরও আছে। (নাঊযুবিল্লাহ) আশরাফ আলী থানভী, হিফজুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৭। (৬) “রহ্‌মতুল্লিল আলামিন” হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কোন বিশেষ লক্বব নয়। তাঁর উম্মতও “রহ্‌মতুল্লিল আলামিন” হতে পারে। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা১২। (৭) সাধারণ মানুষের কাছে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাতামুন নাবিয়্যীন হলেও বুযুর্গ ব্যক্তির কাছে নয়। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন্নাছ, পৃষ্ঠা ৩। (৮) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগে বাসর্বশেষে আসার মধ্যে কোন ফযিলত নেই। ফযিলত হলো মুল নবী হওয়ার মধ্যে। তাঁর পরেযদি এক হাজার নবীরও আগমন মেনে নেয়া হয় তাতেও হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর খতমে নবুয়তের কোন রূপ বেশ-কম হবে না। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন্নাছ, পৃষ্ঠা ২৫। (৯) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেওবন্দের উলেমাদের কাছ থেকে উর্দূ ভাষা শিখেছেন। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা ২৬। (১০) একজন নবীর জন্য সকল মিথ্যা থেকে মুক্ত ও নিস্পাপ হওয়ার প্রয়োজন নেই। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, শফীয়াতুল আক্বাইদ, পৃষ্ঠা ২৫। (১১ ) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাগুদ (শয়তান) বলা যায়। (নাঊযুবিল্লাহ) হুসাইন আলী, তাফসীর বুঘাতুলহাইরান, পৃষ্ঠা ৪৩। (১২) আমলের মাধ্যমে নবী-রসূলের চেয়ে নবী-রসূলগণের উম্মত মর্যাদাবান হয়। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন্নাছ, পৃষ্ঠা ৫। (১৩) আমি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পুলসিরাত থেকে পড়া থেকে রক্ষা করেছি। (নাঊযুবিল্লাহ) হুসাইন আলী, তাফসীর বুঘাতুলহাইরান, পৃষ্ঠা ৮। (১৪) কলেমা শরীফ-এ “লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহমাদুর রসূলুল্লাহ্‌” এর পরিবর্তে“লা ইলাহা ইল্লালাহু আশরাফ আলী রসূলুল্লাহ্‌” এবং দরূদ শরীফ-এ “আল্লাহুম্মা ছল্লি আলা সাইয়্যিদিনা নাবিয়ানা মুহম্মদ” এর পরিবর্তে “আল্লাহুম্মা ছল্লি আলা সাইয়্যিদিনা নাবিয়ানা আশরাফ আলী” পড়লে কোন ক্ষতি হবে না। (নাঊযুবিল্লাহ) আশরাফ আলী থানভী, রিসালা আলইমদাদ, পৃষ্ঠা ৩৪-৩৫। (১৫) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ (জম্মদিন) উপলক্ষে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা আর হিন্দুদের দেবতা কৃষ্ণের জম্ম দিন পালন করা একই। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা১৪৮। (১৬) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর বিশেষত্ব দাজ্জালের মত। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, আবে হায়াত, পৃষ্ঠা ১৬৯। (১৭) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বড় ভাই এবং আমরা তাঁর ছোট ভাই। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা৩। (১৮) দরূদ তাজ মূল্যহীন এবং এটি পাঠ করা নিষিদ্ধ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী্,‌ তাজকীরাতুর রশীদ, ২য় খন্ড,পৃষ্ঠা ১১৭। জাকারিয়া কান্দালভী দেওবন্দী, ফাজায়েলে আমল, পৃষ্ঠা ৫২-৫৩। (১৯) মীলাদ শরীফ, মীরাজ শরীফ, ফাতিহা খাওয়ানী, চেহলাম, সোয়েম এবং ঈছালে সওয়াব সমস্ত আমল শরীয়ত বিরোধী, বিদায়ত এবং কাফের-হিন্দুদের রেওয়াজ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা১৪৪ এবং ১৫০। রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা৯৩-৯৪। (২০) স্থানীয় কাক খাওয়া সওয়াবের কাজ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা১৩০। (২১) হোলী ও দিওয়ালীর ভোগ খাওয়া এবং উপহার গ্রহণ করাসওয়াবের কাজ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা১২৩। (২২) হিন্দুদের সুদের টাকা দ্বারা নির্মিত পানির চৌবাচ্চা (সাবীল) থেকে পানিপান করা জায়িয ও অধিক সওয়াবের কাজ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা১১৩-১১৪। (২৩) রসূল (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মরে মাটির সাথে মিশে গেছেন। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া (২৪) কোন কিছু ঘটানোর জন্য হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইচ্ছা পোষণ করার গুরুত্ব নেই। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, আবে হায়াত, পৃষ্ঠা ১৬৯।

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২

জমির হিসাব

১) ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক (২) কাঠা, (৩) বিঘা এবং (৪) একর এই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা "সরকারি মান"( Standerd Measurement) বলে পরিচিত। উক্ত পরিমাপের কতিপয় নিম্নেপ্রদান করা হলোঃ ইঞ্চি, ফুট ও গজঃ ১২'' ইঞ্চি = ১ ফুট ৩ ফুট= ১ গজ (৩) ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে। যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ। বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ধরে ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর ১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা ১৪৫২০বর্গগজ= ১ বিঘা ৪৮.৪০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ ৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ ৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা ৭২১.৪৬ বর্গগজ= ১ কাঠা ৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক ৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা ২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা ১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই) কাঠা, বিঘা ও একরের মাপঃ ১৬ ছটাক = ১/ কাটা ০.০১৬৫ অযুতাংশ = ১/কাঠা ০.৩৩ শতাংশ বা ০.৩৩০০ অযুতাংশ= ১ বিঘা ২০ (বিশ) কাঠা = ১ বিঘা ৩ বিঘা = ১.০০ একর। টিকাঃ একশত শতাংশ বা এক হাজার সহস্রাংশ বা দশ হাজার অযুতাংশ= ১.০০ (এক) একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চাষ অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে। মিলিমিটার ও ইঞ্চিঃ ১ মিলিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়) ১ সেন্টিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়) ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি বা ৩.২৮ ফুট/ ১.০৯৩ গজ (প্রায়) ১০০০ মিটার = ১ কিলোমিটার ১ কিলোমিটার= ১১ শত গজ ২ কিলোমিটার = (সোয়া মাইল) ১৭৬০ গজ = ১ মাইল ১৩২০ গজ = পৌন এক মাইল। ৮৮০ গজ = আধা মাইল ৪৪০ গজ = পোয়া মাইল। ১ বর্গ মিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়) ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর (প্রায়) ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার (প্রায়) গান্টার শিকল জরীপঃ ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসী বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনিভূমি পরিমাপের জন্যে ইস্পাতদ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল। আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী। এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপেরসুবিধার্থে একে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। এর প্রতিটিভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। প্রতি এক লিঙ্ক = ৭.৯২ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ১০ চেইন ×প্রস্থে ১ চেইন = ১০ বর্গ চেইন = ১ একর গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯.২ ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয় (নস ফুলি) ২০ লিঙ্ক বা ১৫৮.৪ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭.৩ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৪০ লিঙ্ক বা ৩১৬.৮ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৫০ লিঙ্ক বা ৩৯৬.০ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৮০ গান্টার বা ১৭৬০ গজ পর স্থাপিত হয়- মাইল ষ্টোন একর শতকে ভূমির পরিমাপ ১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল ১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইনের সাথে ফিতাও ব্যবহার করা হয়। সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় এবং আমিন সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যাক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করেন। ভূমির পরিমান বেশি হলে চেইন এবং কমহলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনক। বিভিন্ন প্রকারের আঞ্চলিক পরিমাপ আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি। অঞ্চলে ভেদে এই পরিমাপগুলো আয়তন বিভিন্ন রকমের হয়ে তাকে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয়। সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান। কানিঃ কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি কাচ্চা কানি: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়। সাই কানিঃ এই কানি কোথাও ১২০শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়। কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা ২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর ১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট ১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ ১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার ১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক ১ একর = ১০ বর্গ চেইন ১ একর = ১০০ শতক ১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার ১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক ১ একর = ৬০.৫ কাঠা ১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট বিঘা-কাঠার হিসাব ১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত ১ বিঘা = ২০ কাঠা ১ কাঠা = ১৬ ছটাক ১ ছটাক = ২০ গন্ডা ১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক ১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট ১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট লিঙ্ক এর সাথে ফুট ও ইঞ্চির পরিবর্তন লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি ৫ লিঙ্ক = ৩ ফুট ৩.৬ ইঞ্চি ১০ লিঙ্ক = ৬ ফুট ৭.২ ইঞ্চ ১৫ লিঙ্ক = ৯ ফুট ১০.৮ ইঞ্চি ২০ লিঙ্ক = ১৩ ফুট ২.৪ ইঞ্চি ২৫ লিঙ্ক = ১৬ ফুট ৬.০ ইঞ্চি ৪০ লিঙ্ক = ২৬ ফুট ৪.৮ ইঞ্চি ৫০ লিঙ্ক = ৩৩ ফুট ১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট একর হেক্টর হিসাব ১ হেক্টর = ১০,০০০ ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর ১ হেক্টর = ৭.৪৭ বিঘা ১ হেক্টর = ১০০ এয়র (আমার জানামতে উপরের হিসাবগুলো নির্ভূল, যা কয়েকজন কৃষিবিদ কর্তৃক পরীক্ষিত। তারপরও কেউ কোন প্রকার ভূল সনাক্ত করতে পারলে মন্তব্যে শুদ্ধ হিসাবদিয়ে দিবেন, আমি যাচাই করে, পরীক্ষা করে শুদ্ধ হিসাবটি মূল পোস্টে দিয়ে দেব।

সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২

খরগোশ খাওয়া সুন্নত http://www.sabujbanglablog.net/32147.html

খরগোশ খাওয়া সুন্নাত http://www.sabujbanglablog.net/32147.html

নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অপরিসীম ইল্‌ম্‌ সর্বপ্রকার সীমার উর্ধ্বে October ২৪th, ২০১১ by মাদানী ফোয়ারা “আমি তোমাদেরকে সামান্যতম ইলম দান করেছি। (সূরা বণী ঈসরাইল- ৮৫) খালিক মালিক মহান আল্লাহপাক রব্বুল আলামীন হচ্ছেন ‘আলিমুল গইব’ অর্থাৎ সর্ব প্রকার গইব বা অদৃশ্য বস্তু বা বিষয়ের ইল্‌ম আল্লাহ পাক উনার রয়েছে। আল্লাহপাক বিনা মধ্যস্থতায় বাকারো মাধ্যম ছাড়াই সকল ইলমের বা ইলমে গইবের অধিকারী। আর এরূপ ইল্‌মে গইব সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনার কালামে পাকে ইরশাদ করেন, “আসমান-যমীনে আল্লাহ পাক ব্যতীতকারো ইল্‌মে গইব নেই।”(সূরা নমল-৫৫) অর্থাৎ বিনা মধ্যস্থতায় বা কারো মাধ্যম ব্যতীত যে ইল্‌মেগইব তা শুধুমাত্র আল্লাহপাক উনারই রয়েছে। প্রথমোক্ত আয়াত শরীফে ইলমের স্বল্পতা মহান আল্লাহ পাক উনার সাধারণ বান্দাদের জন্য প্রযোজ্য। আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ বা খাছ বান্দাগণ তথা হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস্‌ সালামগণ এবং হাক্বীক্বী নায়িবে নবী ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া তথা খাছ খাছ ওলী আল্লাহগণ এ হুকুমের বাইরে। অর্থাৎ দুনিয়াতে মানুষ বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক ইত্যাদি যাই হোক না কেন তার জ্ঞান সামান্য থেকে সামান্যতম। পক্ষান্তরে যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার গুণে হাক্বীক্বীভাবে গুণান্বিত তথা নবী রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণ, বিশেষ করে সকল নবীদের নবী, রসূলদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ হাবীব বা বন্ধু হওয়ার কারণে স্বয়ং আল্লাহ পাকই উনাকে সমস্ত প্রকারইলম দান করেছেন। আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে এমন কোন বিষয় ছিল না যা উনি জানতেন না বা জানেন না। অর্থাৎ আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন “মুত্তালা আলাল গইব” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীবকে সর্ব প্রকার ইল্‌মে গইব দান করেছেন। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “দয়াময় আল্লাহ পাক উনার হাবীব উনাকে কুরআন শরীফ শিক্ষা দিয়েছেন, উনি ইনসান সৃষ্টি করেছেন এবং উনাকেবয়ান শিক্ষা দিয়েছেন।” (সূরা আর রহমান ১-৪) এ আয়াত শরীফের ব্যাখ্যায় বিখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীরে খাযিনে’ উল্লেখ আছে, “বলাহয়েছে যে, ইনসান দ্বারা উদ্দেশ্য হলেন হুযূর পাকছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আর বয়ান দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে, যা ঘটেছে এবং যা ঘটবে, পূর্বাপর সমস্ত কিছুর ইল্‌ম আল্লাহ পাক উনাকে দান করেছেন। কেননাউনাকে পূর্ববর্তী পরবর্তী এবং পরকাল সম্পর্কে সকল গাইবী বিষয়ের ইল্‌ম দান করেছেন।” অনুরূপ তাফসীরে মায়ালিমুত তানযীল, হুসাইনী, ছাবীতেও উল্লেখ আছে। হাদীছ শরীফের বিখ্যাত ও মশহুর কিতাব ‘মিশকাত শরীফে’ উল্লেখ আছে, “হযরতআব্দুর রহমান বিন আইশ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালাআনহু হতে বর্ণিত। উনি বলেন, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি আমার রবকে উত্তম ছূরত মুবারকে দেখেছি। আমার রববললেন, (হে আমার হাবীব!) মুকার্‌রব ফেরেশ্‌তাগণ কোন বিষয়ে আলোচনা করছে?আমি বললাম, আপনিই অধিক জানেন। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, অতঃপর মহান আল্লাহ পাক উনার রহমতের হাত আমার দু’কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। আমি আল্লাহ পাক উনার ফয়েজের শীতলতা আমার মধ্যে অনুভব করলাম।অতঃপর আসমান-যমীনের সকল বিষয় ও বস্তুর ইলম আমার অর্জিত হয়ে গেল।” এ হাদীছ শরীফের ব্যাখ্যায় বিখ্যাত মুহাদ্দিছ আল্লামা মুল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘মিরকাত শরীফে’ লিখেন, “আল্লামা ইবনে হাজার রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “সামাওয়াত” দ্বারা আসমানসমূহ এমনকি তারও উপরের সমস্ত সৃষ্টির ইলমকে বুঝানো হয়েছে। যেমন মি’রাজ শরীফের ঘটনা দ্বারা বুঝা যায়। আর ‘আলআরদ’ জিন্‌স (জাতি) অর্থেব্যবহৃত হয়েছে, ঐ সমূদয় বস্তু যা সমস্ত যমীনের মধ্যে বরং তারও নিচে রয়েছে তার সব বিষয়েরই ইলম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্জিত হয়ে যায়। (শুধু তাই নয় হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) আমার জন্যে মহান আল্লাহ পাক গইব-এর সকল দরজাসমূহ খুলে দিয়েছেন।”

রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১২

“উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানারা সমগ্র কুরআন শরীফ তো অবশ্যই এমনকি প্রতিনিয়ত পঠিতসূরা- সূরা ফাতিহা সম্পর্কেও তারাচরম অজ্ঞ। আর তাই সূরা ফাতিহা নিয়ে তাদের ফিকিরও নেই। এদের প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ‘তারা কি কুরআন শরীফ সম্পর্কে গভীর ফিকির করে না? নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধকরে দেয়া হয়েছে?’ মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিষয়বস্তুর আঙ্গিকে, গুরুত্বের বিচারে ‘সূরা ফাতিহা’ এক অনন্য মযার্দাসম্পন্ন সূরা। কুরআন শরীফ আরম্ভ হয়েছে ‘সূরা ফাতিহা’ দ্বারা। অবতরণের দিক দিয়ে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সূরা। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এটি সমগ্র কুরআন শরীফ-এর সংক্ষিপ্ত সারমর্ম। কুরআনশরীফ-এর অবশিষ্ট সূরাগুলো মূলতঃ‘সূরা ফাতিহারই’ বিস্তৃত ব্যাখ্যা। গুমরাহীর পথ ছেড়ে সিরাতুল মুস্তাক্বীমের পথে পরিচালিত হওয়াই সমগ্র কুরআন শরীফ-এর মূল কথা। আর ‘সূরা ফাতিহাতে’ সে বিষয়টিই দোয়ারূপে সন্নিবেশিত করাহয়েছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণরূপে। আর তাই সূরা ফাতিহাকে বলা হয় উম্মুল কুরআন। মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কুরআন শরীফ-এর সর্বাধিক পঠিত সূরা হিসেবে সে দোয়া সারা মুসলিম জাহান উচ্চারণ করছেন প্রতিনিয়ত, অহরহ- “আমাদেরকে সরল পথ দান করুন, সে সমস্ত ব্যক্তিত্ব উনাদের পথ দান করুন; যাঁদেরকে নিয়ামত দান করেছেন। তাদের পথ নয়, যারা গযবপ্রাপ্ত, বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট।” মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নিয়ামতপ্রাপ্ত ও গযবপ্রাপ্তদের বর্ণনা কিন্তু কুরআন শরীফ-এই রয়ে গেছে। যাঁদেরকে নিয়ামত দেয়া হয়েছে, উনাদের প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, যাঁদের প্রতি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি অনুগ্রহ করেছেন, উনারা হচ্ছেন- নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ এবং ছালেহ। আর গযব প্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত বলতে খাছ করে ইহুদী-নাছারাদেরকেই বলা হয়েছে। আর সাধারণভাবে সমস্ত বিধর্মীদেরকে বলা হয়েছে। সুতরাং ইহুদী-নাছারাদের পথ পরিহার করে নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ এবং ছালিহীনগণ উনাদের পথে পরিচালিত হওয়াই‘সূরা ফাতিহা’-এর কথা।অর্থাৎ কুরআন শরীফ-এর শিক্ষা। মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উম্মাহকে এই আদর্শের আলোকে পথ চলার উদ্দীপনা জাগানোর দায়িত্ব নীতিগতভাবে বর্তায় আলিম সমাজের উপর। কিন্তু যুগপৎভাবে আশ্চর্যজনক এবংদুঃখজনক হলেও সত্য যে, তথাকথিত আলিম সমাজ সে অনিবার্য কাজটিতে কেবল ব্যর্থই হচ্ছে না, সাথে সাথে তারা বিভ্রান্তও পথভ্রষ্ট হচ্ছে এবং নিজেরাও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মসজিদে সূরা ফাতিহা আওড়িয়ে, দোয়া কুনূত পড়ে, মঞ্চে উঠে তারাই তার খিলাফ করছে। নিয়ামত প্রাপ্তদের পথ চাইলেও তারা অনুসরণ করছে গযব প্রাপ্তদেরপথ। অর্থাৎ ইসলামের নামে ইহুদী-নাছারাদের প্রবর্তিত গণতন্ত্র, নির্বাচন-ভোট করছে, ব্লাসফেমী আইন চাচ্ছে, মৌলবাদ দাবী করছে। কাট্টা মুশরিক-হিন্দু পাপাত্মা গান্ধীর হরতাল করছে, নাস্তিক মাওসেতুং-এর লংমার্চ করছে। যারা কিনা সন্দেহাতীতরূপে গুমরাহ, গযব প্রাপ্ত এবং বিভ্রান্ত। নাঊযুবিল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত তাদের অন্তরে সত্যিই তালা লেগে গেছে, মহর পড়ে গেছে। সুতরাং সত্যের খাতিরে, কুরআন শরীফ-এর নির্দেশে, সূরা ফাতিহার শিক্ষায় আমাদেরকে অন্তরে মহর বিশিষ্ট এসব নামধারী উলামাদের থেকে নিরাপদ দূরত্বেথাকতে হবে এবং উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী উনাদেরসংস্পর্শে আসতেহবে। উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী উনাদেরছোহবতে আসলেই কুরআন শরীফ নিয়ে ফিকির করার মানসিকতা তথা সূরা ফাতিহা মূল্যায়ন করার ক্ষমতা আমাদের অর্জিত হবে। মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানাদের সূরা ফাতিহা-এর ইলমও নেই। তাই তারা ইসলামের নামে বিধর্মীদের দ্বারা প্রবর্তিত গণতন্ত্র, ভোট-নির্বাচন, হরতাল, লংমার্চ করছে, ব্লাসফেমী আইন চাচ্ছে, মৌলবাদ দাবি করছে। অথচ সূরা ফাতিহাতেইরয়েছে যে, মুসলমানদের জন্য বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ ও অনুকরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী। তাই উলামায়ে ‘সূ’বা ধর্মব্যবসায়ীদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, সূরা ফাতিহার অর্থ ও তাফসীর ভালো করে পড়া ও ফিকির করা এবং সে অনুযায়ী আমল করা।

“উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানারা সমগ্র কুরআন শরীফ তো অবশ্যই এমনকি প্রতিনিয়ত পঠিতসূরা- সূরা ফাতিহা সম্পর্কেও তারাচরম অজ্ঞ। আর তাই সূরা ফাতিহা নিয়ে তাদের ফিকিরও নেই। এদের প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, ‘তারা কি কুরআন শরীফ সম্পর্কে গভীর ফিকির করে না? নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধকরে দেয়া হয়েছে?’ মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিষয়বস্তুর আঙ্গিকে, গুরুত্বের বিচারে ‘সূরা ফাতিহা’ এক অনন্য মযার্দাসম্পন্ন সূরা। কুরআন শরীফ আরম্ভ হয়েছে ‘সূরা ফাতিহা’ দ্বারা। অবতরণের দিক দিয়ে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সূরা। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এটি সমগ্র কুরআন শরীফ-এর সংক্ষিপ্ত সারমর্ম। কুরআনশরীফ-এর অবশিষ্ট সূরাগুলো মূলতঃ‘সূরা ফাতিহারই’ বিস্তৃত ব্যাখ্যা। গুমরাহীর পথ ছেড়ে সিরাতুল মুস্তাক্বীমের পথে পরিচালিত হওয়াই সমগ্র কুরআন শরীফ-এর মূল কথা। আর ‘সূরা ফাতিহাতে’ সে বিষয়টিই দোয়ারূপে সন্নিবেশিত করাহয়েছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণরূপে। আর তাই সূরা ফাতিহাকে বলা হয় উম্মুল কুরআন। মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কুরআন শরীফ-এর সর্বাধিক পঠিত সূরা হিসেবে সে দোয়া সারা মুসলিম জাহান উচ্চারণ করছেন প্রতিনিয়ত, অহরহ- “আমাদেরকে সরল পথ দান করুন, সে সমস্ত ব্যক্তিত্ব উনাদের পথ দান করুন; যাঁদেরকে নিয়ামত দান করেছেন। তাদের পথ নয়, যারা গযবপ্রাপ্ত, বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট।” মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নিয়ামতপ্রাপ্ত ও গযবপ্রাপ্তদের বর্ণনা কিন্তু কুরআন শরীফ-এই রয়ে গেছে। যাঁদেরকে নিয়ামত দেয়া হয়েছে, উনাদের প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, যাঁদের প্রতি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি অনুগ্রহ করেছেন, উনারা হচ্ছেন- নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ এবং ছালেহ। আর গযব প্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত বলতে খাছ করে ইহুদী-নাছারাদেরকেই বলা হয়েছে। আর সাধারণভাবে সমস্ত বিধর্মীদেরকে বলা হয়েছে। সুতরাং ইহুদী-নাছারাদের পথ পরিহার করে নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ এবং ছালিহীনগণ উনাদের পথে পরিচালিত হওয়াই‘সূরা ফাতিহা’-এর কথা।অর্থাৎ কুরআন শরীফ-এর শিক্ষা। মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উম্মাহকে এই আদর্শের আলোকে পথ চলার উদ্দীপনা জাগানোর দায়িত্ব নীতিগতভাবে বর্তায় আলিম সমাজের উপর। কিন্তু যুগপৎভাবে আশ্চর্যজনক এবংদুঃখজনক হলেও সত্য যে, তথাকথিত আলিম সমাজ সে অনিবার্য কাজটিতে কেবল ব্যর্থই হচ্ছে না, সাথে সাথে তারা বিভ্রান্তও পথভ্রষ্ট হচ্ছে এবং নিজেরাও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মসজিদে সূরা ফাতিহা আওড়িয়ে, দোয়া কুনূত পড়ে, মঞ্চে উঠে তারাই তার খিলাফ করছে। নিয়ামত প্রাপ্তদের পথ চাইলেও তারা অনুসরণ করছে গযব প্রাপ্তদেরপথ। অর্থাৎ ইসলামের নামে ইহুদী-নাছারাদের প্রবর্তিত গণতন্ত্র, নির্বাচন-ভোট করছে, ব্লাসফেমী আইন চাচ্ছে, মৌলবাদ দাবী করছে। কাট্টা মুশরিক-হিন্দু পাপাত্মা গান্ধীর হরতাল করছে, নাস্তিক মাওসেতুং-এর লংমার্চ করছে। যারা কিনা সন্দেহাতীতরূপে গুমরাহ, গযব প্রাপ্ত এবং বিভ্রান্ত। নাঊযুবিল্লাহ! মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলত তাদের অন্তরে সত্যিই তালা লেগে গেছে, মহর পড়ে গেছে। সুতরাং সত্যের খাতিরে, কুরআন শরীফ-এর নির্দেশে, সূরা ফাতিহার শিক্ষায় আমাদেরকে অন্তরে মহর বিশিষ্ট এসব নামধারী উলামাদের থেকে নিরাপদ দূরত্বেথাকতে হবে এবং উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী উনাদেরসংস্পর্শে আসতেহবে। উলামায়ে হক্কানী-রব্বানী উনাদেরছোহবতে আসলেই কুরআন শরীফ নিয়ে ফিকির করার মানসিকতা তথা সূরা ফাতিহা মূল্যায়ন করার ক্ষমতা আমাদের অর্জিত হবে। মুজাদ্দিদে আ’যম, রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানাদের সূরা ফাতিহা-এর ইলমও নেই। তাই তারা ইসলামের নামে বিধর্মীদের দ্বারা প্রবর্তিত গণতন্ত্র, ভোট-নির্বাচন, হরতাল, লংমার্চ করছে, ব্লাসফেমী আইন চাচ্ছে, মৌলবাদ দাবি করছে। অথচ সূরা ফাতিহাতেইরয়েছে যে, মুসলমানদের জন্য বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা অনুসরণ ও অনুকরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী। তাই উলামায়ে ‘সূ’বা ধর্মব্যবসায়ীদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে, সূরা ফাতিহার অর্থ ও তাফসীর ভালো করে পড়া ও ফিকির করা এবং সে অনুযায়ী আমল করা।

http://sunnotehabibi.wordpress.com/2012/02/27/assalam/

http://www.al-baiyinaat.net/text/?p=1677 http://www.sabujbanglablog.net/17975.html http://www.sabujbanglablog.net/18960.htm http://monthlyalbaiyinaat.blogspot.com/

শুধু কাদিয়ানিরাই কাফের নয় ওহাবী, সালাফী, দেওবন্দী, লামাযহাবী, তাবলিগী, জামাত, শিবির, রাজাকার, চর্মনাই, কওমি, খারিজি, শিয়া, বাহাই, মুতাজিলা, জাব্বারিয়া গং সবাই বাতিল বাহাত্তর ফিরকার অন্তর্ভুক্ত। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের ফাতোয়া মুতাবেক এরা সবাই কাট্টা কাফের, চির জাহান্নামি। এদের সাথে ছেলে অথবা মেয়ে বিয়ে দেওয়া, এদের সাথে আত্মিয়তার সম্পর্ক করা, এদের সাথে ওঠা বসা করা কাট্টা কুফরী। তাই এদের কুচক্রি হাত থেকে বেঁচে থাকা দুনিয়ার সকল মুসলমানের জন্য ফরজ-ওয়াজীব।