শুক্রবার, ১১ মে, ২০১৮

চাহি মুরশিদজীর দয়া, চাহি মামদূহজীর মায়া


 আপনি যে মুরশিদ মহান দূর হয়ে যায় পেরেশান
মুরশিদ পাক খোদার ই দান পরশে পায় নেক ছায়া।

কি কহিবো সাহস হারায় আবদ আমার কিছুই নাই
হৃদয়ে মোর লাগছে ভয় বাঁচতে চাই তব নিয়া।

হে ইলাহী দেন মোরে তব বন্ধুর পড়তে ছানা
হতে মুরশিদের দিওয়ানা নিতে আক্বাজীর দুয়া।

চাহি আমি এই মাক্বাম লইতে তব জাতি নাম
গরীব থেকে এই জাহান ধনী দেন যে করিয়া।

কহি মুরশিদ কে এমন বখতিয়ার কাকি যেমন
ইশকে মুরশিদে রন তেমন আমিও চাই সেই মেওয়া।

মুরশিদ গরীব নেওয়াজ আপনি হলেন নক্বশায়ে হারুনী
মাহবুবী নেওয়াজ মোরে দানি আপনারি ফায়িজ নিয়া।

যবে পাই দয়া আপনার দেখে আপনায় একটি বার
পলকে জাহান্নাম হবো পার মুবারক নজর নিয়া।

হে প্রাণের ই আক্বাজান,মোরে তব রঙে রাঙান



হে প্রাণের ই আক্বাজান! মোরে তব রঙে রাঙান
সুন্নতী সাজে সাজানহে মালিকে দোজাহান ॥

গভীর স্তব্ধ রজনীতেকাঁদি তব সাকিনা নিতে
আছি দু হাত পেতেমোরে তব ফায়িজ পিলান। ঐ

সৃষ্টি জগতে মাখলুক যতমামদূর ক্বদমে নত
রয় তাঁহার যিকিরে রততিনিই কাইয়্যুমুয্ যামান

দুঃখ বেদনা মনেভরারই তব দুয়ারে মোরা
দয়া দিন সুলতানুন্ নাসিরাহে খাইরে কাছিরান! ঐ

ধরাতে কেউ নেই আপনতব ক্বদমে রাখুন সারাক্ষন
তব ক্বদমে মোর জীবনহে আউলিয়া সুলতান!

মালিক গো তব নূরেসারা আলম উজ্বালা করে
রহম দিন হৃদয়ে ভরেহে গাউসে দোজাহান! ঐ

কঠিন মীযান পুলসিরাতেওগো মামদূহ রাখবেন দয়াতে
সুপারিশ করবেন আখিরাতেহে মুজাদ্দিদ যামান।

রইছি তব দরজায়তব দয়া পাবারই আশায়
রাখুন তব করুনায় হে দয়ালু আক্বাজান! ঐ

মামদূহ আহালের উসীলায়আছি বেঁচে এ ধরায়
রইবো তাঁদেরই মায়ায়হে মামদূহ আক্বা মহান! ঐ

হে শাহ দামাদ হে শাহ দামাদ
আপনায় জানাই মুবারকবাদ



সত্য-ন্যায়ের নূরী প্রতীক সুন্নাহ পালনে সদা নির্ভীক
আমার আক্বা শাহে দামাদ
আপনায় জানাই মুবারকবাদ।

কাফির মুশরিকের সব কষাঘাত
শোর্যে-বীর্যে করবেন নিপাত
হে আক্বা রসূলী আওলাদ
আপনায় জানাই মুবারকবাদ।

জ্ঞান-বিজ্ঞান আপনার কদম তলে
বাহরুল ইলম আপনার মূলে
শাহান শাহে আবাদুল আবাদ
আপনায় জানাই মুবারকবাদ।

নূর ধারণে হন মহীয়ান
ভুবন বিজয় আপনার শান
হে নূরী মেছালে ছমাদ
আপনায় জানাই মুবারকবাদ।

তৌহিদে আপনার বজ্র গতি
রিসালত ভুবনে হন ভূপতি
তব শত্রুরা হবে বরবাদ
আপনায় জানাই মুবারকবাদ।

আহলে বাইতের পবিত্র নূর
আল্লাহ রসূলের নাজে ভরপুর
আপনার শানে পড়ি মীলাদ
আপনায় জানাই মুবারকবাদ।

হে আক্বা মেছালে মুর্শিদ
করুণায় কবুল করুন উমীদ
উছিলায়ে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ
হে আক্বা শাহ দামাদ
আপনায় জানাই মুবারকবাদ।

বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১২

দেওবন্দীগং রা চরম শ্রেনীর কাফির । তাদের কিছু ভয়ংকর আক্বীদা নিম্নে দেয়া হলো। ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত১:২৬ দেওবন্দীদের কথিত মুরব্বীদের কিছু আক্বীদা দেখুন। (১) আল্লাহ মিথ্যা বলতে পারেন। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া , ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা ১৯। রশিদ আহমদ গাংগুহী, তালিফাতরশিদিয়া, কিতাবুল আক্বাইদ অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৯৮। খলীল আহমদ আম্বেটী, তাজকিরাতুল খলীল, পৃষ্ঠা ১৩৫। মেহমুদ হাসান, আল-জিহাদুল মুগিল, পৃষ্ঠা ৪১। (২) আল্লাহ্‌ তাঁর বান্দা ভবিষ্যতে কি করবে তা আগে থেকে বলতে পারেন না। বান্দাকর্ম সম্পাদনের পর আল্লাহ্‌ তা জানতে পারেন। (নাঊযুবিল্লাহ) হুসাইন আলী, তাফসীরে বুঘাতুল হাইরান, পৃষ্ঠা ১৫৭-১৫৮। (৩) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জ্ঞানের চেয়ে শয়তান ও হযরত আযরাঈল আলাইহিস্‌ সালাম-এর জ্ঞান বেশী। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা৫১। (৪) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর ভাগ্য সম্পর্কে জানতেন না এমনকি দেয়ালের ওপাশ সম্পর্কেও না। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা৫১। (৫) নবীর (হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর) যদি কিছু ইলমে গায়েব থেকেও থাকে তাহলে এতে তাঁর বিশেষত্ব কী ? এমনইলমে গায়েব তো সকল চতুষ্পদজন্তু, পাগল ও শিশুরও আছে। (নাঊযুবিল্লাহ) আশরাফ আলী থানভী, হিফজুল ঈমান, পৃষ্ঠা ৭। (৬) “রহ্‌মতুল্লিল আলামিন” হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কোন বিশেষ লক্বব নয়। তাঁর উম্মতও “রহ্‌মতুল্লিল আলামিন” হতে পারে। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা১২। (৭) সাধারণ মানুষের কাছে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাতামুন নাবিয়্যীন হলেও বুযুর্গ ব্যক্তির কাছে নয়। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন্নাছ, পৃষ্ঠা ৩। (৮) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগে বাসর্বশেষে আসার মধ্যে কোন ফযিলত নেই। ফযিলত হলো মুল নবী হওয়ার মধ্যে। তাঁর পরেযদি এক হাজার নবীরও আগমন মেনে নেয়া হয় তাতেও হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর খতমে নবুয়তের কোন রূপ বেশ-কম হবে না। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন্নাছ, পৃষ্ঠা ২৫। (৯) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেওবন্দের উলেমাদের কাছ থেকে উর্দূ ভাষা শিখেছেন। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা ২৬। (১০) একজন নবীর জন্য সকল মিথ্যা থেকে মুক্ত ও নিস্পাপ হওয়ার প্রয়োজন নেই। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, শফীয়াতুল আক্বাইদ, পৃষ্ঠা ২৫। (১১ ) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাগুদ (শয়তান) বলা যায়। (নাঊযুবিল্লাহ) হুসাইন আলী, তাফসীর বুঘাতুলহাইরান, পৃষ্ঠা ৪৩। (১২) আমলের মাধ্যমে নবী-রসূলের চেয়ে নবী-রসূলগণের উম্মত মর্যাদাবান হয়। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, তাহযীরুন্নাছ, পৃষ্ঠা ৫। (১৩) আমি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পুলসিরাত থেকে পড়া থেকে রক্ষা করেছি। (নাঊযুবিল্লাহ) হুসাইন আলী, তাফসীর বুঘাতুলহাইরান, পৃষ্ঠা ৮। (১৪) কলেমা শরীফ-এ “লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহমাদুর রসূলুল্লাহ্‌” এর পরিবর্তে“লা ইলাহা ইল্লালাহু আশরাফ আলী রসূলুল্লাহ্‌” এবং দরূদ শরীফ-এ “আল্লাহুম্মা ছল্লি আলা সাইয়্যিদিনা নাবিয়ানা মুহম্মদ” এর পরিবর্তে “আল্লাহুম্মা ছল্লি আলা সাইয়্যিদিনা নাবিয়ানা আশরাফ আলী” পড়লে কোন ক্ষতি হবে না। (নাঊযুবিল্লাহ) আশরাফ আলী থানভী, রিসালা আলইমদাদ, পৃষ্ঠা ৩৪-৩৫। (১৫) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বিলাদত শরীফ (জম্মদিন) উপলক্ষে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা আর হিন্দুদের দেবতা কৃষ্ণের জম্ম দিন পালন করা একই। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা১৪৮। (১৬) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর বিশেষত্ব দাজ্জালের মত। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, আবে হায়াত, পৃষ্ঠা ১৬৯। (১৭) হুযুর পাক ছল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বড় ভাই এবং আমরা তাঁর ছোট ভাই। (নাঊযুবিল্লাহ) খলীল আহমদ আম্বেটী, বারাহীন-ই-কাতেয়া, পৃষ্ঠা৩। (১৮) দরূদ তাজ মূল্যহীন এবং এটি পাঠ করা নিষিদ্ধ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী্,‌ তাজকীরাতুর রশীদ, ২য় খন্ড,পৃষ্ঠা ১১৭। জাকারিয়া কান্দালভী দেওবন্দী, ফাজায়েলে আমল, পৃষ্ঠা ৫২-৫৩। (১৯) মীলাদ শরীফ, মীরাজ শরীফ, ফাতিহা খাওয়ানী, চেহলাম, সোয়েম এবং ঈছালে সওয়াব সমস্ত আমল শরীয়ত বিরোধী, বিদায়ত এবং কাফের-হিন্দুদের রেওয়াজ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা১৪৪ এবং ১৫০। রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা৯৩-৯৪। (২০) স্থানীয় কাক খাওয়া সওয়াবের কাজ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা১৩০। (২১) হোলী ও দিওয়ালীর ভোগ খাওয়া এবং উপহার গ্রহণ করাসওয়াবের কাজ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা১২৩। (২২) হিন্দুদের সুদের টাকা দ্বারা নির্মিত পানির চৌবাচ্চা (সাবীল) থেকে পানিপান করা জায়িয ও অধিক সওয়াবের কাজ। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া, ৩য় খন্ড, পৃষ্ঠা১১৩-১১৪। (২৩) রসূল (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মরে মাটির সাথে মিশে গেছেন। (নাঊযুবিল্লাহ) রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া (২৪) কোন কিছু ঘটানোর জন্য হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইচ্ছা পোষণ করার গুরুত্ব নেই। (নাঊযুবিল্লাহ) কাশেম নানুতুবী, আবে হায়াত, পৃষ্ঠা ১৬৯।

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১২

জমির হিসাব

১) ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক (২) কাঠা, (৩) বিঘা এবং (৪) একর এই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা "সরকারি মান"( Standerd Measurement) বলে পরিচিত। উক্ত পরিমাপের কতিপয় নিম্নেপ্রদান করা হলোঃ ইঞ্চি, ফুট ও গজঃ ১২'' ইঞ্চি = ১ ফুট ৩ ফুট= ১ গজ (৩) ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে। যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ। বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ধরে ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর ১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা ১৪৫২০বর্গগজ= ১ বিঘা ৪৮.৪০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ ৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ ৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা ৭২১.৪৬ বর্গগজ= ১ কাঠা ৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক ৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা ২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা ১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই) কাঠা, বিঘা ও একরের মাপঃ ১৬ ছটাক = ১/ কাটা ০.০১৬৫ অযুতাংশ = ১/কাঠা ০.৩৩ শতাংশ বা ০.৩৩০০ অযুতাংশ= ১ বিঘা ২০ (বিশ) কাঠা = ১ বিঘা ৩ বিঘা = ১.০০ একর। টিকাঃ একশত শতাংশ বা এক হাজার সহস্রাংশ বা দশ হাজার অযুতাংশ= ১.০০ (এক) একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চাষ অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে। মিলিমিটার ও ইঞ্চিঃ ১ মিলিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়) ১ সেন্টিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়) ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি বা ৩.২৮ ফুট/ ১.০৯৩ গজ (প্রায়) ১০০০ মিটার = ১ কিলোমিটার ১ কিলোমিটার= ১১ শত গজ ২ কিলোমিটার = (সোয়া মাইল) ১৭৬০ গজ = ১ মাইল ১৩২০ গজ = পৌন এক মাইল। ৮৮০ গজ = আধা মাইল ৪৪০ গজ = পোয়া মাইল। ১ বর্গ মিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়) ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর (প্রায়) ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার (প্রায়) গান্টার শিকল জরীপঃ ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসী বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনিভূমি পরিমাপের জন্যে ইস্পাতদ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল। আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী। এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপেরসুবিধার্থে একে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। এর প্রতিটিভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। প্রতি এক লিঙ্ক = ৭.৯২ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ১০ চেইন ×প্রস্থে ১ চেইন = ১০ বর্গ চেইন = ১ একর গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯.২ ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয় (নস ফুলি) ২০ লিঙ্ক বা ১৫৮.৪ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭.৩ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৪০ লিঙ্ক বা ৩১৬.৮ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৫০ লিঙ্ক বা ৩৯৬.০ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৮০ গান্টার বা ১৭৬০ গজ পর স্থাপিত হয়- মাইল ষ্টোন একর শতকে ভূমির পরিমাপ ১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল ১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইনের সাথে ফিতাও ব্যবহার করা হয়। সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় এবং আমিন সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যাক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করেন। ভূমির পরিমান বেশি হলে চেইন এবং কমহলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনক। বিভিন্ন প্রকারের আঞ্চলিক পরিমাপ আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি। অঞ্চলে ভেদে এই পরিমাপগুলো আয়তন বিভিন্ন রকমের হয়ে তাকে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয়। সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান। কানিঃ কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি কাচ্চা কানি: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়। সাই কানিঃ এই কানি কোথাও ১২০শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়। কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা ২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর ১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট ১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ ১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার ১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক ১ একর = ১০ বর্গ চেইন ১ একর = ১০০ শতক ১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার ১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক ১ একর = ৬০.৫ কাঠা ১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট বিঘা-কাঠার হিসাব ১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত ১ বিঘা = ২০ কাঠা ১ কাঠা = ১৬ ছটাক ১ ছটাক = ২০ গন্ডা ১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক ১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট ১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট লিঙ্ক এর সাথে ফুট ও ইঞ্চির পরিবর্তন লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি ৫ লিঙ্ক = ৩ ফুট ৩.৬ ইঞ্চি ১০ লিঙ্ক = ৬ ফুট ৭.২ ইঞ্চ ১৫ লিঙ্ক = ৯ ফুট ১০.৮ ইঞ্চি ২০ লিঙ্ক = ১৩ ফুট ২.৪ ইঞ্চি ২৫ লিঙ্ক = ১৬ ফুট ৬.০ ইঞ্চি ৪০ লিঙ্ক = ২৬ ফুট ৪.৮ ইঞ্চি ৫০ লিঙ্ক = ৩৩ ফুট ১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট একর হেক্টর হিসাব ১ হেক্টর = ১০,০০০ ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর ১ হেক্টর = ৭.৪৭ বিঘা ১ হেক্টর = ১০০ এয়র (আমার জানামতে উপরের হিসাবগুলো নির্ভূল, যা কয়েকজন কৃষিবিদ কর্তৃক পরীক্ষিত। তারপরও কেউ কোন প্রকার ভূল সনাক্ত করতে পারলে মন্তব্যে শুদ্ধ হিসাবদিয়ে দিবেন, আমি যাচাই করে, পরীক্ষা করে শুদ্ধ হিসাবটি মূল পোস্টে দিয়ে দেব।

সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১২

খরগোশ খাওয়া সুন্নত http://www.sabujbanglablog.net/32147.html

খরগোশ খাওয়া সুন্নাত http://www.sabujbanglablog.net/32147.html

নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অপরিসীম ইল্‌ম্‌ সর্বপ্রকার সীমার উর্ধ্বে October ২৪th, ২০১১ by মাদানী ফোয়ারা “আমি তোমাদেরকে সামান্যতম ইলম দান করেছি। (সূরা বণী ঈসরাইল- ৮৫) খালিক মালিক মহান আল্লাহপাক রব্বুল আলামীন হচ্ছেন ‘আলিমুল গইব’ অর্থাৎ সর্ব প্রকার গইব বা অদৃশ্য বস্তু বা বিষয়ের ইল্‌ম আল্লাহ পাক উনার রয়েছে। আল্লাহপাক বিনা মধ্যস্থতায় বাকারো মাধ্যম ছাড়াই সকল ইলমের বা ইলমে গইবের অধিকারী। আর এরূপ ইল্‌মে গইব সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনার কালামে পাকে ইরশাদ করেন, “আসমান-যমীনে আল্লাহ পাক ব্যতীতকারো ইল্‌মে গইব নেই।”(সূরা নমল-৫৫) অর্থাৎ বিনা মধ্যস্থতায় বা কারো মাধ্যম ব্যতীত যে ইল্‌মেগইব তা শুধুমাত্র আল্লাহপাক উনারই রয়েছে। প্রথমোক্ত আয়াত শরীফে ইলমের স্বল্পতা মহান আল্লাহ পাক উনার সাধারণ বান্দাদের জন্য প্রযোজ্য। আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ বা খাছ বান্দাগণ তথা হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস্‌ সালামগণ এবং হাক্বীক্বী নায়িবে নবী ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া তথা খাছ খাছ ওলী আল্লাহগণ এ হুকুমের বাইরে। অর্থাৎ দুনিয়াতে মানুষ বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক ইত্যাদি যাই হোক না কেন তার জ্ঞান সামান্য থেকে সামান্যতম। পক্ষান্তরে যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার গুণে হাক্বীক্বীভাবে গুণান্বিত তথা নবী রসূল আলাইহিমুস্‌ সালামগণ, বিশেষ করে সকল নবীদের নবী, রসূলদের রসূল হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ হাবীব বা বন্ধু হওয়ার কারণে স্বয়ং আল্লাহ পাকই উনাকে সমস্ত প্রকারইলম দান করেছেন। আল্লাহ পাক উনার কায়িনাতে এমন কোন বিষয় ছিল না যা উনি জানতেন না বা জানেন না। অর্থাৎ আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন “মুত্তালা আলাল গইব” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীবকে সর্ব প্রকার ইল্‌মে গইব দান করেছেন। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “দয়াময় আল্লাহ পাক উনার হাবীব উনাকে কুরআন শরীফ শিক্ষা দিয়েছেন, উনি ইনসান সৃষ্টি করেছেন এবং উনাকেবয়ান শিক্ষা দিয়েছেন।” (সূরা আর রহমান ১-৪) এ আয়াত শরীফের ব্যাখ্যায় বিখ্যাত তাফসীরগ্রন্থ ‘তাফসীরে খাযিনে’ উল্লেখ আছে, “বলাহয়েছে যে, ইনসান দ্বারা উদ্দেশ্য হলেন হুযূর পাকছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আর বয়ান দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে, যা ঘটেছে এবং যা ঘটবে, পূর্বাপর সমস্ত কিছুর ইল্‌ম আল্লাহ পাক উনাকে দান করেছেন। কেননাউনাকে পূর্ববর্তী পরবর্তী এবং পরকাল সম্পর্কে সকল গাইবী বিষয়ের ইল্‌ম দান করেছেন।” অনুরূপ তাফসীরে মায়ালিমুত তানযীল, হুসাইনী, ছাবীতেও উল্লেখ আছে। হাদীছ শরীফের বিখ্যাত ও মশহুর কিতাব ‘মিশকাত শরীফে’ উল্লেখ আছে, “হযরতআব্দুর রহমান বিন আইশ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালাআনহু হতে বর্ণিত। উনি বলেন, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমি আমার রবকে উত্তম ছূরত মুবারকে দেখেছি। আমার রববললেন, (হে আমার হাবীব!) মুকার্‌রব ফেরেশ্‌তাগণ কোন বিষয়ে আলোচনা করছে?আমি বললাম, আপনিই অধিক জানেন। হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, অতঃপর মহান আল্লাহ পাক উনার রহমতের হাত আমার দু’কাঁধের মধ্যখানে রাখলেন। আমি আল্লাহ পাক উনার ফয়েজের শীতলতা আমার মধ্যে অনুভব করলাম।অতঃপর আসমান-যমীনের সকল বিষয় ও বস্তুর ইলম আমার অর্জিত হয়ে গেল।” এ হাদীছ শরীফের ব্যাখ্যায় বিখ্যাত মুহাদ্দিছ আল্লামা মুল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘মিরকাত শরীফে’ লিখেন, “আল্লামা ইবনে হাজার রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “সামাওয়াত” দ্বারা আসমানসমূহ এমনকি তারও উপরের সমস্ত সৃষ্টির ইলমকে বুঝানো হয়েছে। যেমন মি’রাজ শরীফের ঘটনা দ্বারা বুঝা যায়। আর ‘আলআরদ’ জিন্‌স (জাতি) অর্থেব্যবহৃত হয়েছে, ঐ সমূদয় বস্তু যা সমস্ত যমীনের মধ্যে বরং তারও নিচে রয়েছে তার সব বিষয়েরই ইলম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্জিত হয়ে যায়। (শুধু তাই নয় হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন) আমার জন্যে মহান আল্লাহ পাক গইব-এর সকল দরজাসমূহ খুলে দিয়েছেন।”